সাতক্ষীরায় করোনাভারাসে আক্রান্তদের ১৭ টি বাড়ি লক ডাউন

সাতক্ষীরা বিশেষ প্রতিনিধি(মোস্তাফিজুর) : সাতক্ষীরায় একদিনে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে দেবহাটায় ২৩ জন ও আশাশুনিতে ১ জন। এছাড়াও আরো ৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে হোমকনেন্টােইনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে একজন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে আজ সাতক্ষীরার ২৪ জনের পজেটিভ রিপোর্ট আসে।আক্রান্তরা ঢাকা, নারায়নগঞ্জ ও গাজিপুর ফেরত ইট ভাটা ও গার্মেন্টস কর্মী।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন মো: হুসাইন শাফায়ত সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছিল তাদেরকে চিহ্নিত করা হবে। এরপর তাদের বাড়ি লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরো জানিয়েছেন, আক্রান্তরা নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে।

এবিষয়ে দেবহাটা উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরিন জানান গত ১/৫/২০২০ তারিখে নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত ২৪ জন ইট ভাটা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সহ কেবিএ কলেজে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন এ রাখা হয়।

এবং গত ৩/৫/২০২০ তাদের কোন লক্ষন ছাড়াই র‍্যানডাম টেস্ট এ ৮ জনের স্যাম্পল পাঠানো হয় খুলনা ল্যাব এ। ১ জন পজেটিভ বাকি ৭ জন নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তাদের স্বাস্থ্য বিধি সহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। পুলিশ টহল সহ অন্যান্য সকলেই নজর রাখে। এই পর্যন্ত কারোই কোন লক্ষন নাই। IEDCR এর পরামর্শ ক্রমে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ১৪/৫/২০২০ তাদের ২য় বার স্যম্পল নিয়ে IEDCR এর পরামর্শ ও সিভিল সার্জন মহোদয়ের অনুমতি ক্রমে ১৫ দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে হোমকোয়ারেন্টাইন এ পাঠান।

ইউএনও তার ফেইসবুক আইডির মাধ্যমে জানান, ১৭/৫/২০২০ তারিখ ২৩ জনের পজেটিভ রিপোর্ট আসে। তদের ১৭টি বাড়ি সহ বসন্ত পুর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া আরো সুশীল গাতি ও চিনেডাংগার লিস্টে সংযুক্তদের বাড়ি সহ আশেপাশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন করা হল। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসন ও দেবহাটা থানার পুলিশ বিভাগ ও দেবহাটা সদর এর চেয়ারম্যান মহোদয়, গ্রাম পুলিশ, সাংবাদিকবৃন্দ।

তিনি বলেন, লকডাউন কৃত এলাকায় সার্বক্ষণিক পাহারার জন্য বিজিবি দেবহাটা ও দেবহাটা থানা টহলে থাকবেন। সুশীল ও চিনেডাংগায় দুই জন গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প্রদানের জন্য ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বলা হল। এছাড়া মনিটরিং এর জন্য সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার সার্বক্ষণিক উপজেলা প্রশাসনকে রিপোর্ট প্রদান করবেন।

এমতাবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে পুনরায় IEDCR এ সরাসরি টেস্ট এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছেন, নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরিন।

পোষ্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *