সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে আসন্ন ঘুর্ণিঝড় “আমফান” মোকাবেলার সতর্কতায় মাইকিং

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি(আজহারুল ইসলাম সাদী) : আসন্ন ঘুর্ণিঝড় “আমফান” মোকাবেলায় সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ ও গবাদি পশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার কাজ চলছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে সিপিপিসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডও ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারে কাজ শুরু করেছে।

এ লক্ষে আজ মঙ্গলবার ১৯ মে-২০২০ সকাল থেকে সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করতে মাইকিং করা হচ্ছে। সিপিপিসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা রাত-দিন মাইকিংসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ ও গবাদি পশু নিরাপদ স্থানে নিয়ে আনার কাজ করে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী, কৈখালী ও রমজাননগর আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের এবং কালীগঞ্জ উপজেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সব লোকজনকে গবাদি পশুসহ নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনতে বলা হয়েছে।

আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে ত্রাণ সহায়তায় খাদ্য বিতরণের ব্যবস্থা নিতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের তাৎক্ষণিক খাদ্যশস্য সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট এর স্বেচ্ছাসেবক, এনজিও প্রতিনিধি, রোভার স্কাউট এবং বিএনসিসি সমন্বয়ে প্রচার প্রচারণা, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলায় মোট আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ২৭২টি। এরমধ্যে আশাশুনি উপজেলায় ১০৬টি, দেবহাটা উপজেলায় ১০৪টি, কলারোয়া উপজেলায় ২১৮টি, কালীগঞ্জে ১১৬টি, সাতক্ষীরা সদরে ৩৩৩টি, শ্যামনগরে ৩০৩টি ও তালায় ৯২টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। নতুন আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে কালীগঞ্জে ৮৭টি। জেলায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর ধারণ ক্ষমতা ৫ লাখ ২২ হাজার জন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।

এদিকে মহামারি করোনা পরিস্থিতি সরকারের দেয়া নিয়মানুযায়ী প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আশ্রয় কেন্দ্রে মাস্ক ও সাবানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সাথে করোনা উপসর্গ রুগীদের জন্য আইসোলেসন রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে ।

পোষ্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *